শিল্পবিপ্লব-এর প্রভাব বা ফলাফল ব্যাখ্যা করো। শিল্প বিপ্লবের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব বা ফলাফল সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস নোট। ভূমিকা শিল্প বিপ্লব (১৮শ-১৯শ শতকে ইংল্যান্ড থেকে শুরু) মানবসমাজে অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও পরিবেশগত ক্ষেত্রে বিপুল পরিবর্তন আনে। শিল্প বিপ্লবের প্রধান ফলাফল/প্রভাব : ১. অর্থনৈতিক প্রভাব · কারখানা ব্যবস্থার জন্ম: ঘরোয়া উৎপাদনের জায়গায় বড় কারখানা ও যন্ত্রভিত্তিক উৎপাদন শুরু হয়। · উৎপাদন বৃদ্ধি: বাষ্পচালিত যন্ত্র, টেক্সটাইল মিল, কয়লা-লোহা শিল্পে উৎপাদন বহুগুণ বেড়ে যায়। · পুঁজিবাদের বিস্তার: শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী শ্রেণির (বুর্জোয়া) ক্ষমতা বাড়ে; মুনাফা-কেন্দ্রিক অর্থনীতি প্রসার লাভ করে। · বিশ্ববাণিজ্য ও উপনিবেশবাদ: কাঁচামাল ও বাজারের জন্য উপনিবেশ বিস্তার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পায়। · পরিবহন ও যোগাযোগ বিপ্লব: রেলপথ, স্টিমশিপ, টেলিগ্রাফ ইত্যাদির বিস্তারে বাজার ও শ্রমবাজার বিস্তৃত হয়। ২. সামাজিক প্রভাব · নগরায়ণ: গ্রাম থেকে মানুষ কাজের খোঁজে শহরে আসে; শিল্পনগরী গড়ে ওঠে। · নতুন শ্রেণিবিন্যাস: শিল্প...
'রক্তাক্ত রবিবার' কী? 'রক্তাক্ত রবিবার' বলতে ঠিক কী বোঝায় এবং এর পেছনে কোন দুটি ঐতিহাসিক ঘটনা রয়েছে—তা জানতে সম্পূর্ণ ব্লগটি পড়ুন। রক্তাক্ত রবিবার বলতে মূলত ১৯০৫ সালের ২২ জানুয়ারি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে সংঘটিত গণহত্যাকে বোঝায়, যখন জার দ্বিতীয় নিকোলাসের সৈন্যরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালায় এবং শতাধিক মানুষ নিহত হয়। এ ঘটনাটি ১৯০৫ সালের রুশ বিপ্লবের সূচনা বিন্দু হিসেবে বিবেচিত হয়। এছাড়াও, ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি উত্তর আয়ারল্যান্ডের ডেরিতে ব্রিটিশ সৈন্যদের গুলিতে ১৪ জন নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাটিও ‘ রক্তাক্ত রবিবার ’ নামে পরিচিত। মূলত, ‘ রক্তাক্ত রবিবার ’ শব্দটি দুটি ভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনাকে নির্দেশ করে। তবে রুশ ইতিহাসে সাধারণত ১৯০৫ সালের ঘটনাকেই রক্তাক্ত বরিবার হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। উত্তর শেষ জেনে রাখো : রাশিয়ার ইতিহাসে ‘ রক্তাক্ত রবিবার ’ বলতে ১৯০৫ সালের ২২ জানুয়ারি (পুরনো ক্যালেন্ডারে ৯ জানুয়ারি) সেন্ট পিটার্সবার্গে সংঘটিত ঘটনাকে বোঝায়। ওই দিন পাদ্রি গ্যাপনের নেতৃত্বে হাজার হাজার শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ শান্তি...