ইয়ং ইতালির মূল আদর্শ কী ছিল? চিত্র: জোসেফ মাৎসিনি এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘ইয়ং ইতালি’ সংগঠনের আদর্শ (নবম শ্রেণির ইতিহাস)। ‘ ইয়ং ইতালি ’ (Young Italy)-র মূল আদর্শ ছিল একটি স্বাধীন, ঐক্যবদ্ধ ও প্রজাতান্ত্রিক ইতালি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। জোসেফ (জুসেপ্পে) মাৎসিনি ১৮৩১ সালে এই গোপন বিপ্লবী সংগঠনটি গড়ে তোলেন। ইয়ং ইতালির প্রধান ভিত্তি ছিল তিনটি মূল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত : · জাতীয় ঐক্য – ইতালির বিভিন্ন রাজ্য ও অঞ্চলকে একত্রিত করে একক জাতিরাষ্ট্র গঠন। · প্রজাতন্ত্রবাদ – রাজতন্ত্র ও পোপের পার্থিব শাসন উচ্ছেদ করে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কায়েম। · বিপ্লবী জাতীয়তাবাদ – বিদেশি অস্ট্রীয় আধিপত্য দূর করতে শিক্ষা, প্রচার ও প্রয়োজনে সশস্ত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণকে জাগ্রত করা। মাৎসিনির ভাষায় ইয়ং ইতালির লক্ষ্য ছিল “ স্বাধীনতা , সমতা ও ভ্রাতৃত্ব ”-ভিত্তিক এক ইতালি, যেখানে জনগণই হবে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। ----------xx---------- ইয়ং ইতালি সংক্রান্ত বিকল্প প্রশ্ন : ইয়ং ইতালির মূলনীতি কী ছিল? নব্য ইতালির মূলনীতি ও আদর্শ উল্লেখ করো। ইয়ং ইতালির লক্ষ্য সম্পর্কে মাৎসিনির বক্তব্য কী ছিল? মাৎসিনি কী ...
জোলভেরাইন কী? জোলভেরাইন কী? ‘ জোলভেরাইন ’ হল একটি শুল্ক সংঘের নাম। ১৮১৯ সালে প্রাশিয়ার নেতৃত্বে এই সংস্থা প্রাশিয়া সহ অন্যান্য জার্মান রাষ্ট্রগুলোর বাণিজ্য-প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাস্পরিক সহযোগিতার জন্য গড়ে তোলা হয়। জার্মান অর্থনীতিবিদ ম্যাজেন ছিলেন এর প্রধান উদ্যোক্তা। জোলভেরাইন-এর উদ্দেশ্য হল : সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একই হারে সীমান্ত শুল্ক আরোপ করা, আদায়ীকৃত অর্থ জনসংখ্যার অনুপাতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বন্টন করা, জার্মান ভাষাভাষী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্যের পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং সর্বপরি জার্মান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করার মাধ্যমে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলার পথ প্রস্তুত করা। এইভাবে জোলভারেইন জার্মানির ঐক্য সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ঐতিহাসিক ম্যারিয়টের মতে, “জোলভারেইন হল জার্মানিকরণের প্রথম সোপান” । ------------xx----------- এই প্রশ্নের বিকল্প প্রশ্ন হল : কে, কী উদ্দেশ্যে ‘জোলভেরাইন’ গঠন করেছিলেন? ‘জোলভেরাইন’ গঠনের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য কী ছিল? জার্মানির ঐক্য প্রতিষ্ঠায় ‘জোলভেরাইন’ গঠনের গুরুত্ব কতটা? এই বিষয়ের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও...