‘মীর’ বলতে কী বোঝানো হয়? চিত্র ১: রাশিয়ার ‘মীর’ ব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ (যেমন: যৌথ মালিকানা, স্বশাসন) এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্বের একটি সংক্ষিপ্ত দৃশ্যমান সারসংক্ষেপ। ১৮৬১ সালে দ্বিতীয় আলেকজান্ডার আইন করে সার্ফদের (ভূমিদাস) মুক্তি দিলে জমিদারের পরিবর্তে জমির ওপর নিয়ন্ত্রণ চলে যায় ‘ গ্রাম সমবায় সমিতি ’ নামে একটি সংস্থার কাছে। রাশিয়ার ইতিহাসে এই সমিতি ‘ মির ’ নামে পরিচিত। অর্থাৎ ‘মির’ (Mir) শব্দটির মাধ্যমে মূলত জারবাদী রাশিয়ার কৃষক সম্প্রদায় বা গ্রামীণ সমবায় সমিতি (Village Commune)-কে বোঝানো হতো। মির ছিল রুশ কৃষি সমাজের ভিত্তি, যা ষোড়শ শতক থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিক পর্যন্ত টিকে ছিল। আধুনিক রুশ ভাষায় ‘মির’ মানে ‘শান্তি’ বা ‘বিশ্ব’; তবে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে শব্দটি ‘সম্প্রদায়’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ----------xx----------- মনে রেখো 📍পঞ্চম অধ্যায়ের সব বড় প্রশ্নের উত্তর একসাথে পেতে 👉 এখানে ক্লিক করো এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে অন্য যেভাবে আসতে পারে : মির শব্দের অর্থ কী? এর সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। রাশিয়ার ইতিহাসে ‘মির’ বলতে কী বোঝানো হয়? রাশিয়ার ইতিহাসে ‘গ্রাম সমবায় স...
কাকে, কেন ‘রুশ বিপ্লবের জনক’ বলা হয়? রুশ বিপ্লবের জনক ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন ও বলশেভিক বিপ্লব ভূমিকা: ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনকে ‘ রুশ বিপ্লবের জনক ’ বলা হয়। কারণ, ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের তাত্ত্বিক ভিত্তি , নেতৃত্ব ও সাফল্যের কৃতিত্ব মূলত তারই প্রাপ্য। যে যে কারণে লেনিনকে ‘বিপ্লবের জনক’ বলা হয়: ১. আদর্শগত ভিত্তি: তিনি মার্ক্সবাদকে রাশিয়ার আর্থ-সামাজিক বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে ব্যাখ্যা করেন এবং বিপ্লবের তাত্ত্বিক দিকনির্দেশনা দেন। ২. বলশেভিক দলের নেতৃত্ব: তাঁর নেতৃত্বেই বলশেভিক পার্টি একটি সুসংহত বিপ্লবী সংগঠনে পরিণত হয়, যা জারের পতনের পরবর্তী শূন্যতা পূরণ করতে সক্ষম ছিল। ৩. এপ্রিল থিসিস (April Theses): ১৯১৭ সালের এপ্রিলে তিনি যে বিখ্যাত কর্মসূচি ঘোষণা করেন, তাতে যুদ্ধ বন্ধ, কৃষকদের হাতে জমি এবং শান্তির ( 'রুটি, জমি ও শান্তি' অর্থাৎ Peace, Land, and Bread) -র) সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ৪. জনপ্রিয় স্লোগান: ‘ সকল ক্ষমতা সোভিয়েতের হাতে ’ – এই স্লোগানের মাধ্যমে তিনি শ্রমিক ও সৈনিকদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনা ও গণআন্দোলন গড়ে তোলেন। ৫. কৃষক-শ্রমিক জোট: জম...