সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পঞ্চম অধ্যায় । নবম শ্রেণির ইতিহাস । একটি বাক্যে উত্তর :

পঞ্চম অধ্যায়: বিংশ শতকে ইউরোপ (১টি বাক্যে উত্তর ভিত্তিক প্রশ্নাবলী)

Antique paper texture blog banner with an open glowing history book, a detailed globe, and educational icons on the left. The right features a magnifying glass over notes, question mark scrolls, and a quill. Central Bengali text in Hind Siliguri font outlines a Class 9 History Chapter 5 guide on 20th Century Europe for the Itihas Solutions blog.
ইতিহাসের সহজ সমাধান: নবম শ্রেণির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ১ ও ২ নম্বরের অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলীর উত্তর ও নোটস।

রুশ বিপ্লব, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, উগ্র জাতীয়তাবাদ, নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদ স্পেনের গৃহযুদ্ধ

নবম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ের পঞ্চম অধ্যায় ‘বিংশ শতকে ইউরোপ’-এর অন্তর্গত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলী ও একটি (১টি) বাক্যে উত্তর (১ নম্বরের নোট)-এর তালিকা নিচে দেওয়া হলো। রুশ বিপ্লব, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, নাৎসিবাদ, ফ্যাসিবাদ ও স্পেনের গৃহযুদ্ধ সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের উপরে সরাসরি ক্লিক করে সম্পূর্ণ নোটটি পড়ে নাও।

প্রশ্নপত্রে যেভাবে প্রশ্ন দেওয়া থাকবে একঝলকে দেখে নয় :

২) একটি বাক্যে উত্তর দাও। ( ২ টি প্রশ্নের উত্তর দাও ) : প্রশ্নের মান - ১

মনে রেখো : বার্ষিক পরীক্ষার জন্য

[এই অধ্যায় (পঞ্চম) থেকে মোট ৩টি প্রশ্ন দেওয়া হবে। কমপক্ষে যেকোন ২টি প্রশ্নের উত্তর করতেই হবে।]

📌 ১. রুশ বিপ্লব সংক্রান্ত প্রশ্ন উত্তর

[ক] একটি বাক্যে উত্তর দাও :

  1. কত খ্রিস্টাব্দে রাশিয়ায় সার্ফদের মুক্তি দেওয়া হয়?
  2. বলশেভিক দল কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  3. রাশিয়ার শেষ জার কে ছিলেন?
  4. স্টোলিপিন কে ছিলেন?
  5. কত খ্রিস্টাব্দে USSR গড়ে ওঠে?
  6. আধুনিক রাশিয়ার জনক কাকে বলা হয়?
  7. রাশিয়ায় মার্চ বিপ্লবের পর কার নেতৃত্বে অস্থায়ী প্রজাতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছিল? 
  8. প্রাভদা কী?
  9. নতুন অর্থনৈতিক নীতি (NEP) কে প্রবর্তন করেন?

[খ] সত্য মিথ্যা (ঠিক ভুল) নির্নয় করো :

  1. ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে রাশিয়ার জার প্রথম নিকোলাস আইন করে সার্ফদের মুক্তি দেন।
  2. ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ২২ জানুয়ারি রবিবার রাশিয়ায় নৃশংস হত্যাকান্ডকে বলা হয় ‘রক্তাক্ত রবিবার’।
  3. ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার সূচনা হয়।
  4. নভেম্বর বিপ্লব ‘বলশেভিক বিপ্লব’ নামে পরিচিত।
  5. নারদনিক কথার অর্থ হল বিপ্লব।
  6. রাশিয়ার পার্লামেন্ট ‘ডুমা’ নামে পরিচিত।
  7. নতুন অর্থনৈতিক নীতি (NEP) ১৯২১ সালে কার্ল মার্কস প্রবর্তন করেন।

[গ] শূন্যস্থান পূরণ করো :

  1. রাশিয়ার জাররা ছিলেন__________।
  2. ১৯১৯ সালে ভার্সাই সন্ধির সঙ্গে ________দেশ সম্পর্কযুক্ত নয়।
  3. ভার্সাই সন্ধিতে সভাপতিত্ব করেন _______।

[ঘ] স্তম্ভ মেলাও :

📘 ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মিলিয়ে লাখো :

দাগ নং ‘ক’ স্তম্ভ দাগ নং ‘খ’ স্তম্ভ
০১ রুশ বিপ্লব ক চোদ্দো দফা শর্ত
০২ ভাইয়ার প্রজাতন্ত্র খ ট্রটস্কি
০৩ লাল ফৌজ গ ফ্রেডারিক ইবার্ট
০৪ উড্রো উইলসন ঘ বলশেভিক দল

উত্তর পেতে এখানে ক্লিক করো।

[ঙ] বিবৃতি ও ব্যাখ্যা করো :

১) বিবৃতি : রাশিয়ায় ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের বিপ্লব ব্যর্থ হয়েছিল।

ব্যাখ্যা :
ক) বিপ্লব পরিচালনার ক্ষেত্রে রুশ বিপ্লবীদের পরিকল্পনার অভাব ছিল।
খ) আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অন্য দেশের মানুষ বিপ্লবকে সমর্থন করেনি।
গ) রাশিয়ার অভিজাতরা বিপ্লবকে সমর্থন করছিল।

২) বিবৃতি : ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের বিপ্লব ছিল বিশ্বের ইতিহাসে যুগান্তকারী বিপ্লব।

ব্যাখ্যা : 
ক) অত্যাচারী জার শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাশিয়ায় সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
খ) এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বুর্জোয়াদের হাতে শাসন ক্ষমতা চলে গিয়েছিল।
গ) শুধুমাত্র কৃষকদের নেতৃত্বে বিপ্লব জয়যুক্ত হয়।

৩) বিবৃতি : ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ২২ জানুয়ারি দিনটি রাশিয়ার ইতিহাসে ‘রক্তমাখা রবিবার’ নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা :
ক) ‍ওই দিন সেন্ট পিটার্সবার্গে রুশ সেনার হাতে বহু সাধারণ মানুষ হতাহত হয়।
খ) ওই দিন রাজতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্রের সমর্থকদের মধ্যে দারুণ দাঙ্গাহাঙ্গামা হয়।
গ) ওই দিন দ্বিতীয় নিকোলাস সেন্ট পিটার্সবার্গে ধর্মঘটি শ্রমিকদের নির্বিচারে হত্যা করেন।

৪) বিবৃতি : ১৯০৫ সালে জার দ্বিতীয় নিকোলাস ‘অক্টোবর ইস্তাহার’ ঘোষণা করেন।

ব্যাখ্যা :
ক) এই ঘোষণা অনুসারে জার রাশিয়ায় নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
খ) এই ঘোষণায় দ্বিতীয় নিকোলাস ‘ডুমা’ গঠনের কথা বলেন।
গ) এই ইস্তাহার অনুসারে সার্ফদের পুনরায় মুক্তি দেওয়া হয়।

৫) বিবৃতি : ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবকে বলা হয় ১৯০৫ সালের রুশ বিপ্লবের ‘ড্রেস রিহার্সাল’।

ব্যাখ্যা :
ক) বলশেভিক বিপ্লবীরা ১৯০৫ সালের বিপ্লব থেকে শিক্ষা পেয়েছিল।
খ) ১৯০৫ সালের বিপ্লবের প্রথম ধাপ ছিল ১৯১৭ সালের বিপ্লব।
গ) ‘ক’ ও ‘খ’ —দুটোই ঠিক।

[চ] মানচিত্রে স্থান চিহ্নিত করো :

  1. রুশ যারদের রাজধানী, সেন্ট পিটার্সবার্গ
  2. বলশেভিক বিপ্লবের পর রাশিয়ার রাজধানী মস্কো।

📌 ২. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংক্রান্ত প্রশ্ন উত্তর :

[ক] একটি বাক্যে উত্তর দাও :

  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল কত? 
  2. কত সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথম বিশ্বযুদ্ধে  জড়িয়ে পড়ে?
  3. ভার্সাই সম্মেলনের সভাপতি কে ছিলেন?
  4. জাতিসংঘের জনক বলা হয় কাকে?
  5. জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  6. জাতিসংঘের প্রথম অধিবেশন বসে কবে?
  7. জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
  8. বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মহামন্দার সূচনা হয় কত খ্রিস্টাব্দে?

[খ] সত্য মিথ্যা (ঠিক ভুল) নির্নয় করো :

  1. মার্কিন রাষ্ট্রপতি উইড্র উইলসন ভাষায় সম্মেলনে সভাপতি তো করেন। 
  2. মিত্রশক্তিবর্গ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের জন্য জার্মানিকে দায়ী করেছিল। 
  3. ভার্সাই সন্ধি ছিল জার্মানির কাছে জবরদস্তি মূলক সন্ধি। 
  4. বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সোভিয়েত রাশিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারেনি।
  5. চোদ্দো দফা নীতি ঘোষণা করেন লেনিন।
  6. ১৯২১ সালে শেয়ার বাজারে ধস নামার ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মহামন্দা দেখা দেয়।

[গ] শূন্যস্থান পূরণ করো :

  1. হেরেনভক তত্ত্বের প্রবর্তক হলেন _________।

[ঘ] স্তম্ভ মেলাও :

[ঙ] বিবৃতি ও ব্যাখ্যা করো :

১) বিবৃতি : মার্কিন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন তাঁর বিখ্যাত চোদ্দো দফা নীতি ঘোষণা করেন।

ব্যাখ্যা :
ক) বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করার জন্য।
খ) বিশ্বের অন্যান্য দেশে পুঁজিবাদী অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য।
গ) আর্থিক মহানন্দা থেকে বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য।

২) বিবৃতি : ১৯২৯ সালের ২৪ অক্টোবর দিনটি আমেরিকার ‘কালো বৃহস্পতিবার’ নামে খ্যাত।

ব্যাখ্যা :
ক) ওই দিন আমেরিকার স্বর্ণ শিল্পে চরম বিপর্যয় নেমে আসে।
খ) ওই দিন আমেরিকার রপ্তানি বাণিজ্যে চরম বিপর্যয় সূচিত হয়।
গ) ওই দিন আমেরিকার শেয়ার বাজারে চরম সংকট নেমে আসে।
৩) বিবৃতি : প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের পর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা :
ব্যাখ্যা - ১ : বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটানোর জন্য।
ব্যাখ্যা - ২ : বিশ্ব নিরাপত্তা ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য।
ব্যাখ্যা - ৩ : আন্তর্জাতিক বিচার ও আন্তর্জাতিক আইন চালু করার উদ্দেশ্যে। 

[চ] মানচিত্রে স্থান চিহ্নিত করো :

  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর নবগঠিত রাষ্ট্র পোল্যান্ডের রাজধানী।
  2. প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী দেশ গ্রেট ব্রিটেন।
আরও মনে রেখো : বার্ষিক পরীক্ষার জন্য

✅ দুই (২নং) দাগে মোট ২০টি প্রশ্ন থাকবে। ১৬টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এই ২০টি প্রশ্ন ছয়টি (৬টি) বিভাগে বিভক্ত থাকবে। কিন্তু পরীক্ষায় আসবে যে কোন পাঁচটি(৫টি) বিভাগ।

বিভাগগুলি হল :

  1. একটি বাক্যে উত্তর দাও
  2. সত্য বা মিথ্যা নির্নয় করো
  3. স্তম্ভ মেলাও
  4. মানচিত্রে স্থান চিহ্নিত করো
  5. বিবৃতিটি ব্যাখ্যা করো
  6. শূন্যস্থান পূরণ করো... ইত্যাদি]

📌 ৩. উগ্র জাতীয়তাবাদ সংক্রান্ত প্রশ্ন উত্তর :

[ক] একটি বাক্যে উত্তর দাও :

  1. হার্বার্ট ক্লার্ক হুভার কে ছিলেন?
  2. কত খ্রিস্টাব্দে ভাইমার প্রজাতন্ত্র গড়ে ওঠে?
  3. পেট্রোগ্রাড শহরটির আগের নাম কী ছিল?
  4. গেস্টাপো কী?
  5. ‘ইল দুচে’ উপাধি কে গ্রহণ করেছিলেন?
  6. ‘নাতসিবাদের বাইবেল’ বলা হয় কোন্ গ্রন্থকে?
  7. ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহড়া’ বলা হয় কোন্ ঘটনাকে?
  8. জোসেফ গোয়েবল্স কে ছিলেন?
  9. হিটলার কবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উভয় পদে নিযুক্ত হন?
  10. মেইন ক্যাম্ফ গ্রন্থটি কার লেখা?
  11. এনারিং অ্যাক্ট কী?
  12. The Nuremberg Laws of Citizenship কী?
  13. ফ্রেডারিক ইবার্ট কে ছিলেন?

[খ] সত্য মিথ্যা (ঠিক ভুল) নির্নয় করো :

  1. অ্যাডলফ হিটলার 'ফ্যুয়েরার' উপাধি গ্রহণ করেন।
  2. এপ্রিল থিসিস-কে বলা হয় 'নাতসিবাদের বাইবেল'।
  3. ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে ভার্সাই সন্ধি হয়েছিল।
  4. স্পেনের গৃহযুদ্ধের সূচনা হয় ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে।
  5. জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভি-লি।
  6. ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করে।
  7. স্পেনের গৃহযুদ্ধ কালে ভারতে ফ্যাসিবাদ বিরোধী চিন্তা গড়ে ওঠে।
  8. জার্মানি স্পেনের গৃহযুদ্ধকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করেছিল।
  9. হিটলারের উত্থানের পশ্চাতে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
  10. বেনিটো মুসোলিনি অক্টোবর ১৯২২ ইতালিতে ক্ষমতা দখল করেন।
  11. ভাইমার প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জার্মানিতে।

[গ] শূন্যস্থান পূরণ করো :

  1. ‘মেইন ক্যাম্ফ’ গ্রন্থটি রচনা করেন_________।
  2. নাৎসি দলের মুখপত্রের নাম _________।
  3. হিটলারকে সরকার গঠনে আহ্বান করেন জার্মান প্রেসিডেন্ট _________।

[ঘ] স্তম্ভ মেলাও :

📘 ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মিলিয়ে লাখো :

দাগ নং ‘ক’ স্তম্ভ দাগ নং ‘খ’ স্তম্ভ
০১ ভার্সাই চুক্তি ক হিটলার
০২ ১৯২৯ সাল খ ইতালি
০৩ ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা গ ১৯১৯ সাল
০৪ মেইন ক্যাম্ফ ঘ বিশ্বব্যাপী মন্দা

উত্তর পেতে এখানে ক্লিক করো।

[ঙ] বিবৃতি ও ব্যাখ্যা করো :

১) বিবৃতি : ভাইয়ার প্রজাতন্ত্র জার্মানিতে জনপ্রিয়তা হারিয়েছিল।

ব্যাখ্যা :

ব্যাখ্যা - ১ : অর্থনৈতিক সংকটের ফলে।
ব্যাখ্যা - ২ : ভাষাইয়ের সন্ধি স্বাক্ষরের ফলে।
ব্যাখ্যা - ৩ : হিটলারের উত্থানের ফলে।

[চ] মানচিত্রে স্থান চিহ্নিত করো :

📌 ৪. টুকরো কথা সংক্রান্ত প্রশ্ন উত্তর :

[ক] একটি বাক্যে উত্তর দাও :

  1. রাশিয়ার জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার কোন সংগঠনের হাতে নিহত হন? 
  2. কোন রুশ সাহিত্যিক ‘নিহিলিস্ট’ শব্দটি জনপ্রিয় করে তোলেন?
  3. সর্বহারার একনায়কত্ব বলতে কী বোঝায়?
  4. ইস্ক্রা কী?

[খ] সত্য মিথ্যা (ঠিক ভুল) নির্নয় করো :

[গ] শূন্যস্থান পূরণ করো :

  1. ঐতিহাসিক হেজ ও মুন লেনিনের ‘নতুন অর্থনৈতিক নীতি’কে _________ বলে অভিহিত করেছেন।
  2. ______থেকে_______সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়।

[ঘ] স্তম্ভ মেলাও :

[ঙ] বিবৃতি ও ব্যাখ্যা করো :

১) বিবৃতি : ফ্যাসিবাদকে গ্রহণযোগ্য মনে করা হয় না। কারণ —

ব্যাখ্যা  :

ব্যাখ্যা - ১ : ফ্যাসিবাদ গণতন্ত্রের পক্ষে বিপদজনক।
ব্যাখ্যা - ২ : ফ্যাসিবাদ ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের পরিপন্থী।
ব্যাখ্যা - ৩ : ফ্যাসিবাদে গণতন্ত্র ও ব্যাক্তি স্বাধীনতার পরিপন্থী।
২) বিবৃতি : ১৯১৮ সালে ‘জার্মান বিপ্লব’ ঘটেছিলো। এর প্রত্যক্ষ কারণ হল —

ব্যাখ্যা :

ব্যাখ্যা - ১ : ভাইমার প্রজাতন্ত্র জার্মান জাতির আশা আকাঙ্খা পূরণে ব্যর্থ হওয়া।
ব্যাখ্যা - ২ : রুশ বিপ্লবের পরোক্ষ প্রভাব।
ব্যাখ্যা - ৩ : কাইজার দ্বিতীয় উইলিয়ামের পদত্যাগ।
৩) ‘The Nuremberg Laws of Citizenship’ তৈরি করা হয়েছিল। কারণ —

ব্যাখ্যা  :

ব্যাখ্যা - ১ : ইহুদি নাগরিকদের নাগরিক অধিকার খর্ব করার জন্য।
ব্যাখ্যা - ২ : জার্মান জাতির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার জন্য।
ব্যাখ্যা - ৩ : ইহুদি নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করার জন্য।

[চ] মানচিত্রে স্থান চিহ্নিত করো :

📍 পঞ্চম অধ্যায়ের সব ধরনের (১, ২, ৪, ও ৮ নম্বর) প্রশ্নের উত্তর একসাথে পেতে 👉এখানে ক্লিক করো।

মন্তব্যসমূহ

📘 নবম শ্রেণি 📘 : 👩 যে অধ্যায়ের প্রশ্নোত্তর চাও তাতে ক্লিক করো

------------------------------------------------------------------------

OUR BOOKS FOR WBBSE & WBCHSE

OUR OTHER BOOKS (ICSE & CBSE)

------------------------------------------------------------------------

নবম শ্রেণির জনপ্রিয় প্রশ্নগুলো পড়ো :

ক্রিমিয়ার যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল

 ক্রিমিয়ার যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল আলোচনা কর। ক্রিমিয়ার যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল Causes and consequences of the Crimean War ক্রিমিয়ার যুদ্ধ : অটোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে রাশিয়া তুরস্ক দখল করার চেষ্টা করলে, বলকান অঞ্চলে গুরুতর সংকট সৃষ্টি হয় যা, বলকান সমস্যা নামে পরিচিত। মূলত এই সমস্যাকে কেন্দ্র করে ১৮৫৩ সালে তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ১৮৫৪ সালে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও ইতালির পিডমন্ট-সার্ডেনিয়া সহ কিছু দেশ তুরস্কের পক্ষ অবলম্বন করলে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। ক্রিমিয়ার যুদ্ধের কারণ : ক্রিমিয়ার যুদ্ধের কারণ কে দু ভাগে ভাগ করা যায়।  প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কারণ। ক্রিমিয়ার যুদ্ধের পরোক্ষ কারণ : রাশিয়ার শক্তি বৃদ্ধি : অটোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতার কারণে বলকান সমস্যা সৃষ্টি হয়। এই সুযোগে রাশিয়া ১৮৩০ সালে তুরস্কের কাছ থেকে বসফরাস ও দার্দানেলস প্রণালীতে রুশ জাহাজ চলাচলের অধিকার আদায় করে। রাশিয়ার এই শক্তি বৃদ্ধিতে ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়া আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তুরস্ক দখলের পরিকল্পনা : ১৮৫৩ সালে রাশিয়া ইংল্যান্ড এর কাছে তুরস্ককে ব্যবচ্ছে...

ফরাসি বিপ্লবে দার্শনিকদের অবদান

ফরাসি বিপ্লবে দার্শনিকদের অবদান ফরাসি বিপ্লবে দার্শনিকদের অবদান ফরাসি বিপ্লবে দার্শনিকদের ভূমিকার মূল্যায়ন করো। ১৭৮৯ সালে সংঘটিত ফরাসি বিপ্লবের পিছনে দার্শনিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ফরাসি দার্শনিক মন্তেস্কু, রুশো, ভলতেয়ার, ডেনিস দিদেরো প্রমূখ এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিলেন। ফরাসি বিপ্লবে মন্তেস্কুর অবদান : ফরাসি দার্শনিক মন্তেস্কু বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দা স্পিরিট অফ লজ’ । এই গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি রাজার ‘স্বর্গীয় অধিকার তত্ত্ব’ নীতির সমালোচনা করেন। অন্যদিকে ‘দ্য পারসিয়ান লেটারস’ -এর মাধ্যমে তিনি ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আইন, শাসন ও বিচারবিভাগকে পৃথক করার দাবি জানান। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য ধনবন্টন ও ভোটাধিকারের দাবি করেন। ফরাসি বিপ্লবে ভলতেয়ারের অবদান : ভলতেয়ার ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর ফ্রান্সের একজন যুক্তিবাদী দার্শনিক। তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘কাঁদিদ’ -এর মাধ্যমে ফরাসি গির্জার দুর্নীতি কুসংস্কার অন্ধবিশ্বাস ও অনাচারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তার ব্যঙ্গাত্মক লেখনীর মাধ্যমে সাধারণ ফরাসি জনগণকে স্বৈরাচারী রাজতন্ত্র ও দুর্নীতিগ্রস্ত চার্চের বিরুদ্ধে সচেতন করে তোল...

ফরাসি বিপ্লবের কারণ

১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লবের জন্য রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক এবং সামাজিক কারন গুলি আলোচনা কর।  অথবা, ফরাসি বিপ্লবের কারনগুলি আলোচনা কর। ফরাসি বিপ্লব ঃ ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লব শুধু ফ্রান্সের ইতিহাসে নয়, গোটা বিশ্বের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা।এই বিপ্লব হওয়ার পিছনে ছিল দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত নানা অভাব অভিযোগ। ঐতিহাসিক লেফেভরের-এর মতে ফরাসি বিপ্লবের উৎস অনুসন্ধান করতে হবে তার অতীত ইতিহাসের মধ্যে। ফরাসি বিপ্লবের কারন ‌ফরাসি বিপ্লবের পিছনে প্রকৃতপক্ষে তিনটি কারণ দায়ী ছিল-  ‌১) রাজনৈতিক কারন ২) সামাজিক কারণ ৩) অর্থনৈতিক কারণ ফরাসি বিপ্লবের  রাজনৈতিক কারন ফরাসি বিপ্লব ছিল প্রকৃতপক্ষে দীর্ঘদিন ধরে বুঁরবো রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।রাজারা ঈশ্বরপ্রদত্ত ক্ষমতায় বিশ্বাসী ছিলেন এবং তারা বংশানুক্রমিকভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। রাজাদের দুইরকম ভাবে শাসনকার্য চালাত-- ক) রাজাদের দুর্বল শাসন : ফরাসি রাজা চতুর্দশ লুই(১৬৪৩-১৭১৫ খ্রীঃ) বিলাস ব্যসনে মগ্ন থেকে স্বৈরাচারী ক্ষমতার মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।তিনি বলতেন “আমিই রাট্র”। পরবর্তী রাজা...

ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম শিল্পবিপ্লব হয়েছিল কেন?

ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম শিল্পবিপ্লবের কারণ ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম শিল্পবিপ্লবের পিছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ লক্ষ্য করা যায়। ১) কৃষি বিপ্লব : নবজাগরণের ফলে নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার হয়। নতুন ও উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতি আবিষ্কারের ফলে কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটে। এই কৃষি বিপ্লব শিল্পবিপ্লবকে কাঁচামাল দিয়ে সাহায্য করেছিল। ২) সুলভ শ্রমিক : ষোড়শ শতক থেকে ইংল্যান্ডে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই বর্ধিত জনসংখ্যা শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সুলভ শ্রমিকের যোগান দিয়েছিল। ৩) মূলধনের প্রাচুর্য : ১৭ শতক থেকে ইংল্যান্ড বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্য করে প্রচুর মুনাফা অর্জন করে। এই মুনাফা শিল্পের প্রয়োজনীয় মূলধনের যোগান দিয়েছিল। ৪) বাজার : ঔপনিবেশিক দ্বন্দ্বে জয়লাভের ফলের শিল্প পণ্যের বাজার পেতে সুবিধে হয়েছিল। ৫) খনিজ : শিল্পের প্রয়োজনীয় খনিজসম্পদ যেমন লোহা ও কয়লা ইংল্যান্ডে প্রচুর পাওয়া যেত। ৬) উন্নত পরিবহন : নবজাগরণ ও নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল। এই পরিবহন ব্যবস্থা শিল্পবিপ্লবে সাহায্য করেছিল। এই সমস্ত অনুকূল পরিবেশ ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব ঘটাতে সাহায্য করেছি...

ইতালির ঐক্য আন্দোলনে গ্যারিবল্ডির ভূমিকা

ইতালির ঐক্য আন্দোলনে গ্যারিবল্ডির ভূমিকা আলোচনা করো  উ. ভূমিকা: ফরাসী বিপ্লবের আগে প্রায় তিন শতাব্দির বেশি সময় ইতালি পরস্পর বিরোধী বিভিন্ন ছোটবড় রাজ্যে বিভক্ত ছিল. এখানকার অধিকাংশ রাজ্যে বিদেশীদের আধিপত্য ছিল। ইটালির ঐক্য আন্দোলনে গ্যারিবল্ডির অবদান : ইটালির ঐক্য আন্দোলনে যে তিনজন প্রবাদপ্রতিম পুরুষ অসামান্য অবদানের সাক্ষর রাখেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বীর দেশপ্রেমিক গ্যারিবল্ডি (১৮০৭-১৮৮২ খ্রি) । ১. আন্দোলনে যোগদান ও দেশত্যাগ: গ্যারিবল্ডি ১৮৩৩ সালে ম্যাটসিনির সংস্পর্শে এসে ইয়ং ইটালি দলের সদস্য হন। তিনি ম্যাৎসিনি নেতৃত্বে স্যাভয়-এর বিদ্রোহে যোগ দিলে তার প্রাণদন্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলে তিনি দেশত্যাগে বাধ্য হন। ২. ১৮৪৮ এর বিপ্লব : ১৮৪৮ খ্রিষ্টাব্দে ইতালিতে বিপ্লব শুরু হলে, গ্যারিবোল্ডি ইতালিতে ফিরে আসেন এবং রোমে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ম্যাৎসিনি অন্যতম সহকারী হিসাবে কাজ করেন। ৩. সিসিলি ও নেপলস জয় : গ্যারিবোল্ডি ‘লাল কোর্তা’ নামে সেনাদল গঠন করে দক্ষিন ইটালির সিসিলি ও নেপলস অভিযান করেন। সেখানকার বুরব রাজবংশকে পরাস্ত করে তিনি সিসিলি ও নেপলস (১৮৬০ খ্রি:) করেন। ৪. প্রজাতন...

নেপনিয়নকে ‘বিপ্লবের সন্তান’ বলা হয় কেন?

নেপনিয়নকে ‘বিপ্লবের সন্তান’ বলা হয় - কারণ ব্যাখ্যা কর। নেপনিয়নকে ‘বিপ্লবের সন্তান’ বলা হয় কেন? নেপোলিয়ান এক অতি সাধারন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও ফ্রান্সের সম্রাট পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। আর এটা সম্ভব হয়েছিল ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্রান্সে যে সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার আদর্শের উন্মেষ ঘটেছিল, তার সৌজন্যেই। আর একারণে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বিপ্লবের সন্তান। তবে মনে রাখতে হবে, স্বাধীনতার আদর্শকে তিনি আজীবন সম্মান দেখাননি। নেপনিয়নকে 'বিপ্লবের সন্তান' বলার কারণ : তাঁর এই বিপ্লবের সন্তান হয়ে ওঠার পিছনে আরও যেসব সমস্ত বিষয় গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা নিয়েছিল তা হল : ১) বিপ্লবী আদর্শের বাস্তবায়ন : ১৭৮৯ সালে ফ্রান্সের সংবিধান সভা সে-দেশ থেকে সামন্ত প্রথা, ভূমিদাস প্রথা, করভি বা বেগর শ্রম, টাইট বা ধর্মকর ইত্যাদি বিলোপ ঘটিয়েছিল। নেপোলিয়ান ক্ষমতায় আসার পর বিপ্লবী সরকারের এইসব নিয়মকে সচেতন ভাবেই বহাল রেখেছিলেন। ২) বিপ্লবী আদর্শের প্রসার : শুধু বহাল রাখাই নয়, বিপ্লবের মূল মন্ত্র সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার আদর্শের প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ৩) পুরাতন তন্ত্রের ধ্বংস সাধন : ফ্রান্সের ...

কোড নেপোলিয়ন কী?

কোড নেপোলিয়ন বলতে কী বোঝো? কোড নেপোলিয়ন-এর মাধ্যমে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট কীভাবে ফরাসি বিপ্লবের আদর্শ রক্ষা করেন? কোড নেপোলিয়ন কী ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সংস্কার কর্মসূচিগুলির মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ হল ‘কোড নেপোলিয়ন’ (Code Napoleon) বা আইনবিধি প্রবর্তন। তার শাসনকালের পূর্বে ফ্রান্সের নানা স্থানে নানা ধরনের বৈষম্যমূলক ও পরস্পরবিরোধী আইন প্রচলিত ছিল। নেপোলিয়ন সমগ্র ফ্রান্সে একই ধরনের আইন প্রবর্তনের উদ্দেশ্যে ৪ জন বিশিষ্ট আইনজীবীকে নিয়ে একটি পরিষদ গঠন করেন। এই পরিষদের প্রচেষ্টায় দীর্ঘ চার বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে যে আইনবিধি সংকলিত হয়, তা ‘কোড নেপোলিয়ন’  নামে খ্যাত। কোড নেপোলিয়নের বৈশিষ্ট্য ঃ ২২৮৭টি বিধি সংবলিত এই আইন সংহিতা তিন ভাগে বিভক্ত ছিল— দেওয়ানি, ফৌজদারি এবং বাণিজ্যিক আইন। আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও সম্পত্তির অধিকারের স্বীকৃতি ছিল এই আইন সংহিতার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।  নেপোলিয়ন বিপ্লবের আদর্শ, প্রাকৃতিক আইন ও রোমান আইনের সমন্বয় সাধন করে কোড নেপোলিয়ন রচনা করেছিলেন। প্রথমত: এই আইনের ফল...

ভিয়েনা সম্মেলনের মূলনীতি

ভিয়েনা সম্মেলনের মূলনীতিগুলি সংক্ষেপে আলোচনা করো ভিয়েনা সম্মেলনের মূলনীতি ১৮১৫ সালে ভিয়েনা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ ইউরোপের পুনর্গঠন এর উদ্দেশ্যে যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তা ভিয়েনা সম্মেলনের মূলনীতি নামে পরিচিত। এই নীতি গুলি ছিল ১) ন্যায্য অধিকার নীতি ২) ক্ষতিপূরণ নীতি এবং ৩) শক্তিসাম্য নীতি। ভিয়েনা সম্মেলনের মূল নীতিগুলি হল, ১ ) ন্যায্য অধিকার নীতি :  এই নীতির মূল কথা হলো ইউরোপে বিপ্লব পূর্ববর্তী রাজবংশ গুলিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা। এই নীতির ফলে ফ্রান্সে বুুুরবোঁ বংশ হল্যান্ডে  অরেঞ্জ বংশ , তা নিয়ায় ভিদ্মতে  সাতবাহন বংশ এবং  মধ্য ইতালীতে  পোপ  ক্ষমতা লাভ করে। ২) ক্ষতিপূরণ নীতি :   এই নীতির মূল কথা হলো ক্ষতিপূরণ দেওয়া। এই নীতি প্রয়োগ করে নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যারা প্রচুর আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিল তারা ক্ষতিপূরণ হিসেবে ইউরোপ ও ইউরোপের বাইরের নেপোলিয়ন অধিকৃত ভূখণ্ড গুলি ভাগাভাগিি করে। ৩) শক্তিসাম্য নীতি :  ভবিষ্যতে ফ্রান্স যাতে পুনরায় শক্তিশালী হয়ে ইউরোপের শান্তি নষ্ট না করতে তা নিশ্চিত করা এই নীতির মূল লক...

ফ্রান্সের বাস্তিল দুর্গের পতনের গুরুত্ব

ফ্রান্সের বাস্তিল দুর্গের পতন গুরুত্বপূর্ণ কেন? ফ্রান্সের স্বৈরাচারী রাজতন্ত্রের প্রতীক 'বাস্তিল দুর্গ' ধ্বংসের গুরুত্ব কী ছিল? ফরাসি রাজা ষোড়শ লুই পুরাতনতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে জনপ্রিয় অর্থমন্ত্রী নেকারকে পদচ্যুত করে প্যারিসও ভার্সাই-এ সেনা মোতায়েন করলে জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দের ১৪ জুলাই উত্তেজিত জনতা প্যারিসের কুখ্যাত বাস্তিল দুর্গ দখল এবং ধ্বংস করে। বাস্তিল দুর্গের পতন ইতিহাসের একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। বাস্তিল দুর্গের পতনের গুরুত্ব : প্রথমত, বাস্তিল দুর্গ ছিল ফ্রান্সের স্বৈরাচারী রাজতন্ত্রের প্রতীক। এই বিশাল দুর্গে রাজা ও রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাজা তার ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব জাহির করতেন। দার্শনিক ভলতেয়ারও রাজতন্ত্রের বিরোধিতা করার জন্য বাস্তিল দুর্গে বন্দি ছিলেন। বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে ফরাসি রাজতন্ত্রের শক্তি ও প্রতিরোধ ক্ষমতার দৈন্যদশা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। দ্বিতীয়ত, ফরাসিরাজতন্ত্রের গর্বের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ ধ্বংসের ঘটনা ফরাসি বিপ্লবকে অনেকগুলি ধাপ অতিক্রম করতে সাহায্য করে। তৃতীয়ত, বাস্তিল দুর্গের পতন প্রমাণ করেছিল যে রাজ...

জোলভেরাইন কী?

জোলভেরাইন কী? জোলভেরাইন কী? ‘ জোলভেরাইন ’ হল একটি শুল্ক সংঘের নাম। ১৮১৯ সালে প্রাশিয়ার নেতৃত্বে এই সংস্থা প্রাশিয়া সহ অন্যান্য জার্মান রাষ্ট্রগুলোর বাণিজ্য-প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাস্পরিক সহযোগিতার জন্য গড়ে তোলা হয়। জার্মান অর্থনীতিবিদ ম্যাজেন ছিলেন এর প্রধান উদ্যোক্তা। জোলভেরাইন-এর উদ্দেশ্য  হল : সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একই হারে সীমান্ত শুল্ক আরোপ করা, আদায়ীকৃত অর্থ জনসংখ্যার অনুপাতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বন্টন করা, জার্মান ভাষাভাষী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্যের পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং সর্বপরি জার্মান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করার মাধ্যমে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলার পথ প্রস্তুত করা। এইভাবে জোলভারেইন জার্মানির ঐক্য সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ঐতিহাসিক ম্যারিয়টের মতে, “জোলভারেইন হল জার্মানিকরণের প্রথম সোপান” । ------------xx----------- এই প্রশ্নের বিকল্প প্রশ্ন হল : কে, কী উদ্দেশ্যে ‘জোলভেরাইন’ গঠন করেছিলেন? ‘জোলভেরাইন’ গঠনের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য কী ছিল? জার্মানির ঐক্য প্রতিষ্ঠায় ‘জোলভেরাইন’ গঠনের গুরুত্ব কতটা? এই বিষয়ের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও...