জাতিসংঘ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ-এর (রাষ্ট্রসংঘের ) পার্থক্য কী? ইতিহাস নোট: জাতিসংঘ বনাম সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ | প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে গড়ে ওঠা দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থা—জাতিসংঘ (League of Nations) এবং সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ বা রাষ্ট্রসংঘ (United Nations)। ভূমিকা সাধারণভাবে 'জাতিসংঘ' এবং 'সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ' (বা রাষ্ট্রসংঘ) শব্দ দুটিকে একই আন্তর্জাতিক সংস্থার (United Nations - UN) বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। তবে বাংলা ব্যাকরণ, ঐতিহাসিকভাবে গড়ে ওঠা পারিভাষিক ব্যবহার এবং প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার দুটি পৃথক সংস্থার বাংলা অনুবাদের নিরিখে এদের মধ্যে সূক্ষ্ম ও গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। নিচে এদের পার্থক্য বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: জাতিসংঘ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ বা রাষ্ট্রসংঘের পার্থক্য ১. নামকরণ ও পরিচয়: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত সংস্থার প্রমিত বাংলা নাম 'জাতিসংঘ' (League of Nations)। বাংলাদেশে এর নাম জাতিপুঞ্জ । আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত সংস্থার বাংলা নাম 'সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ' বা 'রাষ্ট্রসংঘ' (Unite...
ক্রিমিয়ার যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল আলোচনা কর। ক্রিমিয়ার যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল Causes and consequences of the Crimean War ক্রিমিয়ার যুদ্ধ : অটোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে রাশিয়া তুরস্ক দখল করার চেষ্টা করলে, বলকান অঞ্চলে গুরুতর সংকট সৃষ্টি হয় যা, বলকান সমস্যা নামে পরিচিত। মূলত এই সমস্যাকে কেন্দ্র করে ১৮৫৩ সালে তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ১৮৫৪ সালে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও ইতালির পিডমন্ট-সার্ডেনিয়া সহ কিছু দেশ তুরস্কের পক্ষ অবলম্বন করলে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। ক্রিমিয়ার যুদ্ধের কারণ : ক্রিমিয়ার যুদ্ধের কারণ কে দু ভাগে ভাগ করা যায়। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কারণ। ক্রিমিয়ার যুদ্ধের পরোক্ষ কারণ : রাশিয়ার শক্তি বৃদ্ধি : অটোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতার কারণে বলকান সমস্যা সৃষ্টি হয়। এই সুযোগে রাশিয়া ১৮৩০ সালে তুরস্কের কাছ থেকে বসফরাস ও দার্দানেলস প্রণালীতে রুশ জাহাজ চলাচলের অধিকার আদায় করে। রাশিয়ার এই শক্তি বৃদ্ধিতে ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়া আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তুরস্ক দখলের পরিকল্পনা : ১৮৫৩ সালে রাশিয়া ইংল্যান্ড এর কাছে তুরস্ককে ব্যবচ্ছে...